আদম
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
| আদম | |
|---|---|
| [[File:|215px]] মিকেলাঞ্জেলোর বিখ্যাত শিল্পকর্ম আদম সৃষ্টি, ভ্যাটিকান সিটির সিস্টিন চ্যাপেলের অভ্যন্তরে |
|
| সন্তান | Cain Abel Seth |
| পিতা-মাতা | বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী প্রথম মানুষ |
আদম আব্রাহামীয় ধর্ম এবং বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনীতে উল্লেখিত একজন ব্যক্তি। ইহুদি, খ্রিস্টান ও ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের বিশ্বাস অনুসারে তিনি ছিলেন প্রথম সৃষ্ট মানব। ইসলাম ধর্মের বর্ণনা মতে তিনি আল্লাহ প্রেরিত রাসুল বা বাণীবাহক এবং তাঁকে এই ধর্মে হযরত আদম [আ.] হিসেবে উল্লেখ করা হয়। তাঁর স্ত্রী ছিলেন হাওয়া [আ.]।
পরিচ্ছেদসমূহ |
প্রথম মানব ও প্রথম রাসুল [সম্পাদনা]
সকল ঐশ্বিক গ্রন্থ মোতাবেক আদম ঈশ্বর কর্তৃক সৃষ্ট প্রথম মানব। ঈশ্বর তাঁকে খরখরে মাটি থেকে সৃষ্টি করেন। তারপর তাঁর দেহে প্রাণ সঞ্চার করা হয়। হাওয়াকে সৃষ্টি করা হয় আদমের পাঁজর থেকে। সৃষ্টির পর তাঁদের আবাস হয় (जन्नत)বেহেশত বা স্বর্গ। মানুষ যেহেতু সকল সৃষ্টির সেরা তাই ঈশ্বর দেবদূত বা ফেরেশতাকুলকে আদেশ করেন আদমকে সিজদা করার জন্য। ইবলিশ ব্যতীত সকল ফেরেশতা এই আদেশ প্রতিপালন করেন। কুরআনে বলা হয়েছে, “আমি আদমকে পৃথিবীতে আমার প্রতিনিধি নিযুক্ত করিব।” (সুরা বাক্বারাহ, আয়াত: ৩০) কুরআনে আদম-এর নাম ২৫টি আয়াতে ২৫ বার উল্লেখ করা হয়েছে। সূরা বাক্বারাহ, সুরা আ-রাফ, সুরা ইসরা, সুরা কাহ্ফ এবং সুরা ত্ব-হাতে তাঁর নাম, গুনাবলী ও কার্যাবলী আলোচনা করা হয়েছে। সূরা হিজর ও ছোয়াদে শুধু গুণাবলী এবং সূরা আল ইমরান, সুরা মায়েদাহ এবং সুরা ইয়াছীনে আনুসঙ্গিক রুপে শুধু নামের উল্লেখ আছে।
স্বর্গ থেকে বিতাড়ন [সম্পাদনা]
সৃষ্টির পর আদম ও হাওয়ার অবস্থান ছিল বেহেশতে বা স্বর্গে। সেখানে তাদের জন্য গন্ধম ফল খওয়া নিষিদ্ধ ছিল। শয়তানের প্ররোচনায় হাওয়া গন্ধম ফল খেয়ে ফেলেন এবং আদমকে এ ফল খেতে উৎসাহিত করেন। এটি মানুষের আদিপাপ বলে পরিগণিত হয়। এর শাস্তিস্বরূপ ঈশ্বর আল্লাহ তাদের স্বর্গ থেকে বিতাড়ন করেন এবং শাস্তিস্বরূপ তাঁদের পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেন। আদম এবং হাওয়া পৃথিবীর ভিন্ন দুটি স্থানে অবতরণ করেন। আদম অবতরন করেন সিংহল। দীর্ঘদিন পর আরবের আরাফাত নামক প্রান্তরে তাঁদের পুনর্মিলন হয়।
পৃথিবীর জীবন [সম্পাদনা]
পৃথিবীতে আগমনের পর আদম ও হাওয়াকে আল্লাহর তরফ থেকে ক্বাবাগৃহ নির্মাণের আদেশ প্রদান করা হয়। ক্বাবা নির্মিত হয়ে গেলে তাদেরকে তা তাওয়াফ করার আদেশ দেয়া হয়। বর্ণিত আছ আদম কর্তৃক নির্মিত ক্বাবা নূহের মহাপ্লাবন পর্যন্ত অক্ষত ছিল।
পরিবার [সম্পাদনা]
আদমের নিঃসঙ্গতা দূরীকরণের জন্য তাঁর বাম পাঁজরের হাড় থেকে হাওয়াকে সৃষ্টি করা হয়। তাঁর স্ত্রী ছিলেন হাওয়া। পৃথিবীতে আগমনের পর তাঁদের ১৪০ জোড়া সন্তান হয়। আলোচিত সন্তানগণ হলেন: হাবিল, কাবিল, আকলিমা, গাজাহ। তাঁদের সন্তান শিস [আ.] পরবর্তীতে আল্লাহ্'র একজন নবী (বাণীবাহক) হয়েছিলেন।
জীবৎকাল [সম্পাদনা]
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |