আতাকামা লার্জ মিলিমিটার অ্যারে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

আতাকামা লার্জ মিলিমিটার অ্যারে (ইংরেজি: Atacama Large Millimeter Array) বা আলমা চিলির আতাকামা মরুভূমির কাইনান্তোর (ইংরেজি: Chajnantor) উপত্যকায় স্থাপিত একটি বেতার দুরবিন যা দিয়ে বিভিন্ন জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বস্তু থেকে আসা মিলিমিটার ও সাবমিলিমিটার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিকিরণ সনাক্ত করা সম্ভব। ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, পূর্ব এশিয়া এবং স্বাগতিক দেশ চিলির আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্বে স্থাপিত আতাকামা লার্জ মিলিমিটার এ্যারে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ও গুরুত্বপূ্র্ণ এক মহাকাশ বিদ্যা –প্রকল্প। চিলির আতাকামা মরুভূমির ৫ কিমি উচ্চতায় স্থাপিত কাইনান্তোর উপত্যকায় প্রতিষ্ঠিত এই বেতার দূরবীনে রয়েছে ৬৬ টি অতি সূক্ষ রিজোলিউশানের এন্টেনা যার সাহায্যে একসাথে ব্যতিচারমিতিক (ইন্টারফেরোমেট্রি) প্রক্রিয়ায় একটি বস্তু পর্যবেক্ষণ করা যাবে। অধিকাংশ দুরবিনের এন্টেনার ব্যাসই ১২ মিটার, তবে কিছু ৭ মিটার ব্যাসের এন্টেনাও রয়েছে।[১]পূর্বকালীন মহাকাশের বিভিন্ন নক্ষত্র-জন্মের বিস্তৃত বিবরণ সরবরাহ করবে এই আতাকামা লার্জ মিলিমিটার এ্যারে। মহাজাগতিক নিয়মে মহাকাশের যে সকল নক্ষত্রেরা হারিয়ে গেছে, তাদের জন্ম-বিস্তৃতির বিস্তারিত প্রতিমূর্তি তুলে ধরাই আতাকামা লার্জ মিলিমিটার এ্যারের মূল লক্ষ্য।

২০১১ সালের দ্বীতিয়ার্ধে আতাকামা লার্জ মিলিমিটার এ্যারে তার বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ শুরু করে এবং ৩ রা মার্চ ,২০১১ প্রথমবারের মতো সংবাদ-মাধ্যমে আতাকামা লার্জ মিলিমিটার এ্যারের পর্যবেক্ষণের প্রতিচ্ছবি প্রকাশিত হয়। মার্চ,২০১৩ এই বেতার দুরবীন তার সম্পূর্ণ কার্যক্রম শুরু করে। [২][৩]

অর্থায়ন[সম্পাদনা]

যুক্তরাষ্ট্রের মিলিমিটার এ্যারে,ইয়ুরোপের লার্জ সাউদার্ন এ্যারে এবং জাপানের লার্জ মিলিমিটার এ্যারে ---- এই তিনটি প্রকল্পের ত্রিবেণী সঙ্গমেই তৈরী হয়েছে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে প্রখ্যাত প্রকল্প --আতাকামা লার্জ মিলিমিটার এ্যারে।[৪] তার নির্মাণ ও কার্যসম্পাদনের দায়িত্বে রয়েছে জয়েন্ট আ.ল.ম.এ অবসারভেটরী।সব মিলিয় দুরিবন অবসারভেটরী নির্মাণে ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হবে।[৫] যেসব সংগঠ্ন আতাকামা লার্জ মিলিমিটার এ্যারেকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেছে, তারা হল—

(১)ইউরোপিয়ান সাউদার্ন অবসারভেটরী, ইউরোপ।

(২)ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশান, উত্তর আমেরিকা।

(৩)ন্যাশনাল রিসার্চ কাউন্সিল, কানা।

(৪)ন্যাশনাল সায়েন্স কাউন্সিল ও অ্যাকাডেমিকা সিনিকা, তাইওয়ান।

(৫)ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ্ সায়েন্সেস, জাপান।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Atacama Large Millimeter Array এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
  2. "Alma telescope: Ribbon cut on astronomical giant"। BBC। সংগৃহীত 13 March 2013 
  3. ডিওআই:10.1117/2.3201407.14
    This citation will be automatically completed in the next few minutes. You can jump the queue or expand by hand
  4. ALMA Partners
  5. Chile's ALMA probes for origins of universe, Associated Press