আতসবাজী
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
আতসবাজী হলো বারূদ দিয়ে তৈরি বাজীবিশেষ যা কোনো শব্দ না করে শুধু দৃষ্টিনন্দন করে শোভা বর্দ্ধন করে। আতস বাজী সাধারনতঃ ফ্ল্যাস পাউডার (সোরা- চার ভাগ, গন্ধক- এক ভাগ, এলুমিনিয়াম পাউডার - এক ভাগ ) এর দ্বারা তৈরি হয়। এ ছাড়া রঙিন আলোর জন্য স্ট্রনশিয়াম, বেরিয়াম প্রভৃতি ধাতুর নাইট্রেট, ক্লোরেট লবন ব্যবহৃত হয়। তবে রঙিন আলোর জন্য ক্লোরিন অবশ্যম্ভাবি। ক্লোরেট লবন থেকেই ক্লোরিন পাওয়া যায়। কিন্তু নাইট্রেটলবন ব্যবহার করলে আলাদা ভাবে ক্লোরিন নিস্কাশক দ্রব্য [যথা পি-ভি-সি (পলি-ভিনাইল ক্লোরাইড)] মেশাতে হয়। এ ছাড়া নীল রঙের জন্য তুঁতে ও ক্লোরিন নিস্কাশক ব্যবহার করা যায়। বাজীর পলতের জন্য কালো মশলা (সোরা- আট ভাগ, গন্ধক- এক ভাগ, কাঠকয়লা - দুই ভাগ ) ব্যবহার হয়। এ ছাড়াও সোরার জায়গায় ব্যারাইটা ব্যবহার করলে হাল্কা সবুজাভ সাদা আলো পাওয়া যায়। এর সঙ্গে পিভিসি মেশালে সবুজ রঙ বেশী দেখা যায়। এজন্য রংমশালে ব্যারাইটা ব্যবহার করা হয়।
তুবড়ীর ভাগ সোরা- ষোলো ভাগ, লোহাচূর - দশ ভাগ, গন্ধক- তিন ভাগ, কাঠকয়লা - চার ভাগ