আইফেল পর্বতমালা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আইফেল পর্বতমালা
Eifelkarte-2012.jpg
Map of the Eifel
সর্বোচ্চ বিন্দু
শীর্ষ Hohe Acht[১]
উচ্চতা ৭৪৭ মি (২,৪৫১ ফু)
আয়তন
দৈর্ঘ্য ১০০ কিমি (৬২ মা)
আয়তন ৫,৩০০ কিমি (২,০০০ মা)
ভূগোল
দেশসমূহ জার্মানি, বেলজিয়াম and লুক্সেমবার্গ
রাজ্যসমূহ Rhineland-Palatinate and North Rhine-Westphalia
পরিসীমা স্থানাঙ্ক ৫০°২৩′ উত্তর ৬°৫২′ পূর্ব / ৫০.৩৯° উত্তর ৬.৮৭° পূর্ব / 50.39; 6.87স্থানাঙ্ক: ৫০°২৩′ উত্তর ৬°৫২′ পূর্ব / ৫০.৩৯° উত্তর ৬.৮৭° পূর্ব / 50.39; 6.87
প্যারেন্ট পরিসীমা Rhenish Slate Mountains
ভূবিদ্যা
Orogeny low mountains
পাথরের ধরণ slate, limestone, quartzite, sandstone, basalt

আইফেল পর্বতমালা (জার্মান: Eifel) পশ্চিম জার্মানির রাইনলান্ড-প্‌ফাল্‌ৎস রাজ্যের উত্তর-পশ্চিমাংশে অবস্থিত একটি মালভূমি বা নিম্ন উচ্চতার পর্বতমালা। এর দক্ষিণ-পূর্ব সীমানায় মোজেল নদী, উত্তর-পূর্বে রাইন নদীর গিরিখাত, উত্তরে হোএস ফেন পাহাড়গুলি এবং পশ্চিমে বেলজিয়াম ও লুক্সেমবুর্গের আর্দেন পর্বতমালা। আইফেল মালভূমিটি একটি পরিত্যক্ত, জলাভূমিতে ভরা মালভূমি এলাকা। এখানে অনেক মৃত আগ্নেয়গিরির চূড়া ও জ্বালামুখ দেখতে পাওয়া যায়। হোএ আখ্‌ট নামক জায়গাটি এর সর্বোচ্চ বিন্দু, সমুদ্র সমতল থেকে যার উচ্চতা ৭৪৬ মিটার। এখানে লোহা ও সীসার আকরিক ছিল, কিন্তু ১৯শ শতকের মধ্যেই এগুলি নিঃশেষ হয়ে যায়।

আইফেলের উত্তরের পাহাড়গুলি আরগেবির্গে নামে পরিচিত। এগুলি আর নদীর উত্তরে আরভাইলার জেলাতে অবস্থিত। আর নদীর দক্ষিণে অবস্থিত পাহাড়গুলি হোএ আইফেল নামে পরিচিত; এখানেই হোএ আখ্‌ট নামের সর্বোচ্চ পাহাড়টি অবস্থিত। পশ্চিমে বেলজিয়ামের সাথে সীমান্তে পাহাড়গুলি শ্নাইফেল নামে পরিচিত; এগুলি প্রায় ৭০০ মিটার পর্যন্ত উঠে গেছে। দক্ষিণের পাহাড়গুলির উচ্চতা কম; এগুলির মধ্য দিয়ে অনেকগুলি নদী উত্তর-দক্ষিণ বরাবর চলে গেছে এবং মোজেল নদীতে পড়েছে। এদের মধ্যে কুল নদী বৃহত্তম; কুল নদীর দুই পাশের পাহাড়গুলিকে কুলভাল্ড বলে। এরও দক্ষিণে মোজেল নদীর উত্তর তীরে ফোরাইফেল নামের পাহাড়শ্রেণীর মাধ্যমে আইফেল পর্বতমালার সমাপ্তি ঘটেছে।

২০০৪ সাল থেকে আইফেল পর্বতমালার প্রায় ১১০ বর্গকিমি এলাকা আইফেল জাতীয় উদ্যান আকারে সংরক্ষণ করা হয়েছে। আইফেল অঞ্চলে ফর্মুলা ওয়ান রেসিঙের একটি প্রতিযোগিতা নুরবুর্গরিং প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়। আইফেল পর্বতমালার ভেতর দিয়ে রোমানেরা কোলন শহরে পানি সরবরাহের জন্য একটি দীর্ঘ পানিবাহী নালা তৈরি করেছিল, যা বর্তমানে প্রত্নতাত্ত্বিকদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য বিষয়।

গ্যালারি[সম্পাদনা]

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. Elkins, T.H. (1972). Germany (3rd ed.). London: Chatto & Windus, 1972. এএসআইএন B0011Z9KJA.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]