অরণ্যের দিনরাত্রি (চলচ্চিত্র)
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
অরণ্যের দিনরাত্রি সত্যজিৎ রায় পরিচালিত একটি বাংলা চলচ্চিত্র যা ১৯৭০ সালে মুক্তি পায়। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত অরণ্যের দিনরাত্রি উপন্যাস অবলম্বনে এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
[সম্পাদনা] কাহিনী
চার বন্ধু অসীম, সঞ্জয়, হরি ও শেখর বেড়াতে যায় বিহারে। পৌঁছে অনেকটা জোড়পূর্বক বন বিভাগের বাংলোতে উঠে পড়ে। সেজন্য অবশ্য চৌকিদারকে কিছু বকশিস দিতে হয়েছিল। চার জনের মধ্যে অসীম সবচেয়ে সচ্ছল, হরি সম্প্রতি প্রেমে ব্যর্থ হয়ে মনমরা হয়ে আছে। মেয়ের হাতে চড় খাবার জন্য বন্ধুদের কথা শুনতে হচ্ছে তাকে। সঙ্জয়ও চাকরি করে, তবে শেখরের চাকরি চলে যাওয়ায় এখন বেকার। শেখর সবচেয়ে প্রাণোচ্ছল তবে সবচেয়ে সুদর্শণ ও চটপটে অসীমকেই বলতে হবে। বেড়াতে গেলে যা হয়, সারাদিন প্রকৃতি দর্শন ও ঘুরে বেড়ানো আর রাতে শৌখিন মদ্যপান। তাদের কাজ করতে দেয় যে ছেলেটি তার মাধ্যমে জানতে পারে আশেপাশে ভদ্রলোকের মেয়ে বলতে একজন আছে। বাংলো থেকে খুব দূরে নয়। সেখানে রয়েছে এক বড়লোকের বাগানবাড়ি। ভদ্রলোকের নাম সদাশিব ত্রপাঠি। তার মেয়ে অপর্ণ ও ছেলের বৌ জয়া আর একমাত্র নাতনিকে নিয়ে বছরে অন্তত একবার এখানে বেড়াতে আসেন। বাঙালি বিধায় প্রথম পরিচয়েই বেশ সক্ষ্যতা হয়ে যায়। তিন বন্ধু বৌদির সাথে ব্যাডমিন্টন খেলতে গেলেও অনুশীলন নেই বলে থেকে যায় অসীম। প্রথম দেখেই হয়ত অপর্ণাকে ভাল লেগে গিয়েছিল।
চার বন্ধুর মধ্যে মদ খেয়ে মাতাল হয়না কেবল শেখর, সে খুব একতটা খাওয়াওনা। জোড় করে তাকে খাওয়াতে হয়। চার বন্ধুর মধ্যে তিনজনেরই নারীঘটিত কিছু একটা ঘটেছে। মন দেয়া-নেয়া হয়েছে অসীম ও অপর্ণার। তবে তাদের প্রেম এসেছে অসীমের অপদস্ত হওয়ার মধ্যে দিয়ে।
[সম্পাদনা] চরিত্রসমূহ
- সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় - অসীম
- শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায় - সঞ্জয়
- সমিত ভাঞ্জা - হরি
- রবি ঘোষ - শেখর
- পাহাড়ি সান্যাল - সদাশিব ত্রিপাঠি
- শর্মিলা ঠাকুর - অপর্ণা
- কাবেরী বসু - জয়া
- সিমি গরেওয়াল - দুলি
- অপর্ণা সেন - হরির প্রাক্তন প্রেমিকা
|
||||||||||||||||||||||||||||||