অভিনয়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

অভিনয় সংলাপ সহ বা সংলাপবিহীন অন্য একটি চরিত্রের আবেগ প্রকাশ। সাজগোজ করে কৃত্রিম অঙ্গভঙ্গি করে অন্য একটি চরিত্রের অনুরকরণ করাই হল অভিনয়।

অভিনয়ের প্রকারভেদ[সম্পাদনা]

অলঙ্কার শাস্ত্র মতে, অভিনয় চার প্রকারে সম্পন্ন হয়। ০১) আঙ্গিক অভিনয় ০২) বাচিক অভিনয় ০৩) সাত্ত্বিক অভিনয় ০৪) আহার্য অভিনয়

০১) আঙ্গিক অভিনয় : শরীরের অঙ্গভঙ্গি ব্যবহার করে যে অভিনয় করা হয়, সেটাই আঙ্গিক অভিনয়। শরীর ব্যবহার না করলে অভিনয় পরিপূর্ণ হয় না বলেই অভিনয়ে শারীরিক বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি ব্যবহার করতে হয়। ০২) বাচিক অভিনয় : অভিনয়কে পরিপূর্ণতা দানের জন্য কণ্ঠস্বরও ব্যবহার করতে হয়। কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে যে অভিনয় করা হয় সেটাই বাচিক অভিনয়। বাচিক অভিনয় ছাড়া অভিনয় পরিপূর্ণ হয় না। ০৩) সাত্ত্বিক অভিনয় : সত্তা বা মনকে অভিনয়ে অর্ন্তভুক্ত না অভিনয় পরিপূর্ণ হয় না। মনের ভাবনাকে নিয়ন্ত্রণ ও অন্তর্ভুক্ত করে যে অভিনয় করা হয়, সেটাই সাত্ত্বিক অভিনয়। মূলত আবেগ ব্যবহার না করে অভিনয় করলে সেটা পরিপূর্ণতা লাভ করে না। আর আবেগ ব্যবহার করতে হলেই অভিনেতাকে মন নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। এই মন নিয়ন্ত্রণ করে যেই অভিনয়, সেটাই সাত্ত্বিক অভিনয়। ০৪) আহার্য অভিনয় : অভিনয়কে পূর্ণমাত্রায় বোধগম্য ও চিত্তাকর্ষক করার জন্য পোশাক, অঙ্গরচনা, আলো ও মঞ্চ ব্যবহার করতে হয়। অভিনয়ের জন্য ব্যবহৃত এই সব উপাদান ছাড়া অভিনয় পরিপূর্ণতা পায় না। অভিনেতার শরীরের বাইরে অবস্থিত এই সব উপাদান ব্যবহার করে যে অভিনয় করা হয়, সেটাই আহার্য অভিনয়।

গ্রন্থপঞ্জি[সম্পাদনা]