অবিচুয়ারি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
অবিচুয়ারি
আরও যে নামে পরিচিত জেকুশনার
উদ্ভব টাম্পা, ফ্লোরিড, আমেরিকা
ধরন ডেথ মেটাল
কার্যকাল ১৯৮৫–১৯৯৭, ২০০৩–বর্তমান
লেবেল রোডরানার রেকর্ডস, ক্যান্ডেললাইট রেকর্ডস
সহযোগী শিল্পী ডিসাইড
ওয়েবসাইট www.obituary.cc
সদস্যবৃন্দ জন টারডি
ট্রেভর পেরেস
ডোনাল্ড টারডি
ফ্রাঙ্ক ওয়াটকিন্স
রালপ সান্তোল্লা
প্রাক্তন সদস্যবৃন্দ জেরোমি গ্রাবল
জেমস মারফি
ডেনিয়েল টাকার
অ্যালেন ওয়েস্ট

অবিচুয়ারি একটি আমেরিকান ডেথ মেটাল ব্যান্ড যা ১৯৮৫ সালে আমেরিকাতে গঠিত হয় এবং এর প্রাথমিক নাম ছিল জেকুশনার।ব্যান্ডটির বর্তমান সদস্যরা হলেন জন টারডি ,ট্রেভর পেরেস,ডোনাল্ড টারডি,ফ্রাঙ্ক ওয়াটকিন্স ও রালপ সান্তোল্লা।ব্যান্ডটি একটি মৌলিক ভূমিকা পালন করে ডেথ মেটাল ধারার সংগীতকে প্রতিষ্ঠা করতে[১] এবং তারা অন্যতম সফল ব্যান্ড এই ধারার সঙ্গীতে।[২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

ডেথ মেটাল ধারার সংগীতে অবিচুয়ারি একটি অন্যতম প্রধান ব্যান্ড। ১৯৮৫ সালে ব্যান্ডটির লাইন আপ ছিল জন টারডি ভোকালে, অ্যালেন ওয়েস্ট গিটারে, ট্রেভর পেরেস গিটারে, জেরোমি গ্রাবল বেজ গিতারে এবং ডোনাল্ড টারডি ড্রামে।১৯৮৭ সালে তাদের প্রথম ২টি গান মুক্তি পায়।পরের বছরই তাদের প্রথম অ্যালবাম স্লোলি উই রট মুক্তি পায় এবং তাদের নাম অবিচুয়ারি হয়।ব্যান্ডটি এখনো ডেথ মেটাল সংগীত আন্দোলনের একটি উল্লেখযোগ্য নাম আমেরিকাতে। এদের অ্যালবাম এখন পর্যন্ত ৩৬৮১৮৫ কপি বিক্রি হয়েছে।তাদের ১৯৯২ সালের অ্যালবাম দ্যা অ্যান্ড কম্পলিট মোট ১০৩৩৭৮ কপি বিক্রি হয়েছিল শুধু মাত্র আমেরিকাতেই। ১৯৯৭ সালের অ্যালবাম ব্যাক ফ্রম ডেথের পর ব্যান্ডটা সফর করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়ে এবং তারা বিভক্ত হয়ে পড়ে। তারপর ব্যান্ডের সদস্যরা অন্যান্য ব্যান্ড যেমন-সিক্স ফিট আন্ডার ইত্যাদিতে কাজ করতে থাকে। ২০০৩ সালে তারা আবার একত্রিত হয় এবং ফ্রোজেন ইন টাইমস অ্যালবাম বের করে ২০০৫ সালে।ব্যান্ডের প্রথম লাইভ ডিভিডি ফ্রোজেন লাইভ বের হ্য ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে। ব্যান্ডটি বর্তমানে ক্যান্ডেললাইট রেকর্ডসের সাথে চুক্তিবদ্ধ। অবিচুয়ারি সর্বশেষ অ্যালবাম ডার্কেস্ট ডে মুক্তি পায় ৩০শে জুন, ২০০৯ সালে। [৩]

বর্তমান সদস্য[সম্পাদনা]

  • জন টারডি
  • ট্রেভর পেরেস
  • ডোনাল্ড টারডি
  • ফ্রাঙ্ক ওয়াটকিন্স
  • রালপ সান্তোল্লা

পুরাতন সদস্য[সম্পাদনা]

  • জেরোমি গ্রাবল
  • জেমস মারফি
  • ডেনিয়েল টাকার
  • অ্যালেন ওয়েস্ট

লাইভ সদস্য[সম্পাদনা]

  • কেনি অ্যান্ড্রুস
  • স্টিভ ডিজিওরজিও
  • টেরি বাটলার

প্রকাশিত অ্যালবাম[সম্পাদনা]

স্টুডিও অ্যালবাম

  • স্লোলি উই রট (১৯৮৯)
  • কজ অব ডেথ (১৯৯০)
  • দ্যা অ্যান্ড কমপ্লিট (১৯৯২)
  • ওয়ার্ল্ড ডিমাইজ (১৯৯৪)
  • ব্যাক ফ্রম ডেথ (১৯৯৭)
  • ফ্রোজেন ইন টাইম (২০০৫)
  • জেকুশনারস রিটার্ন (২০০৭)
  • ডার্কেস্ট ডে (২০০৯)

লাইভ অ্যালবাম

  • ডেড (১৯৯৮)

ডিভিডি

ইপি

  • ডোন্ট কেয়ার (১৯৯৪)
  • লেফট টু ডাই (২০০৮)

সংকলিত অ্যালবাম

  • অ্যান্থোলজি (২০০১)
  • দ্যা বেস্ট অব অবিচুয়ারি (২০০৮)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://www.allmusic.com/cg/amg.dll?p=amg&sql=11:h9frxqw5ldfeObituary
  2. "Blabbermouth.net - It's official: Cannibal Corpse are the top-selling death metal band of the SoundScan era". http://www.roadrun.com/blabbermouth.net/news.aspx?mode=Article&newsitemID=16769. Retrieved 2007-10-11.
  3. "Blabbermouth.net - OBITUARY: New Album Details Revealed". http://www.roadrunnerrecords.com/blabbermouth.net/news.aspx?mode=Article&newsitemID=118342. Retrieved 2009-04-17.

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]