অজন্তা গুহাসমূহ
| অজন্তা গুহাসমূহ* | |
|---|---|
| ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান | |
| স্টেট পার্টি | |
| ধরণ | সাংস্কৃতিক ১ |
| মাপকাঠি | i, ii, iii, vi |
| তথ্যসূত্র | ২৪২ |
| অঞ্চল† | এশিয়া -প্যাসিফিক |
| স্থানাংকসমূহ | টেমপ্লেট:Coord/display/title,inline |
| অভিলিখনের ইতিহাস | |
| অভিলিখন | ১৯৮৩ (৭ম সেশন) |
| * ঐতিহ্যবাহী স্থানে তালিকাভুক্ত হিসেবে নাম † ইউনেস্কো কর্তৃক শ্রেণীবদ্ধ অঞ্চল |
|
অজন্তা গুহাসমূহ ভারতের মহারাষ্ট্রে গভীর খাড়া গিরিখাতের পাথর কেটে খোদাই করা প্রায় ৩০টি গুহা-স্তম্ভ। এগুলি খ্রিস্টপূর্ব ২য় শতক থেকে খ্রিস্টীয় ৭ম শতাব্দীর মধ্যে নির্মিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। এগুলিতে পাওয়া ছবি ও ভাস্কর্য তৎকালীন বৌদ্ধ ধর্মীয় শিল্পের উৎকৃষ্ট নিদর্শন। অজন্তার দেয়ালের চিত্রগুলিতে বুদ্ধের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ের কাহিনী বর্ণিত হয়েছে। ফ্রেস্কো ধাঁচের এই দেয়ালচিত্রগুলির জীবন্ত রূপ এবং এগুলিতে নানা রঙের সমৃদ্ধ ও সুক্ষ্ম প্রয়োগ এগুলিকে ভারতের বৌদ্ধ চিত্রশিল্পের সর্বোৎকৃষ্ট নিদর্শনে পরিণত করেছে। গুহাগুলি মহারাষ্ট্রের আউরাঙ্গাবাদ জেলার জলগাঁও রেলস্টেশনের কাছে, আজিন্তা বা অজন্তা গ্রামের প্রান্তে অবস্থিত (২০ ডিগ্রী ৩০ মিনিট উত্তর অক্ষাংশ এবং ৭৫ ডিগ্রী ৪০ মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমাংশ)। ১৯৮৩ সাল থেকে এই স্থানটি একটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট।
চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং-এর ভ্রমণলিপিতে অজন্তার বর্ণনা আছে। গুহাগুলি দীর্ঘকাল অরণ্যের আড়ালে বিস্মৃত অবস্থায় পড়ে ছিল। উনিশ শতকে, ১৮১৯ সালে, এগুলি নতুন করে আবিষ্কৃত হয়। অজন্তা ও অদূরবর্তী ইলোরা ভারতের অন্যতম প্রধান পর্যটনকেন্দ্র।
[সম্পাদনা] গ্যালারি
[সম্পাদনা] আরও দেখুন