অং সান সু চি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(অং সান সূ চি থেকে ঘুরে এসেছে)
Daw

অং সান সু চি
AungSanSuuKyi1.png


MP AC
ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসি'র সভাপতি
দায়িত্ব
অধিকৃত অফিস
২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৮
পূর্বসূরী Position established
Member of the Pyithu Hluttaw
for Kawhmu
দায়িত্ব
অধিকৃত অফিস
2 May 2012
পূর্বসূরী Soe Tint
সংখ্যাগরিষ্ঠ 46,730 (71.38%)[১]
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম (১৯৪৫-০৬-১৯) ১৯ জুন ১৯৪৫ (বয়স ৬৮)
Rangoon, British Burma
(now Yangon)
রাজনৈতিক দল National League for Democracy
দাম্পত্য সঙ্গী Michael Aris (1972–1999)
সম্পর্ক Aung San (father)
Khin Kyi (mother)
সন্তান Alexander
Kim
অধ্যয়নকৃত শিক্ষা
প্রতিষ্ঠান
University of Delhi
St Hugh's College, Oxford
University of London
ধর্ম Theravada Buddhism
Awards রাফতো পুরস্কার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
জওহরলাল নেহরু পদক
আন্তর্জাতিক সিমন বলিভার পুরস্কার
ওলফ পালমে পুরস্কার
ভগবান মহাবীর বিশ্ব শান্তি

অং সান সূ চি (ইংরেজি: Aung San Suu Kyi, বর্মী ভাষায়: AungSanSuuKyi1.png আউন্‌ স্‌হান্‌ সু চি আ-ধ্ব-ব: [àunsʰánsṵtʃì]); ১৯৪৫ সালের ১৯শে জুন মায়ানমারের ইয়াংগুনে (তৎকালীন বার্মার রেঙ্গুনে) জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন তার পরিবারের ৩য় সন্তান। তিনি অহিংস গণতন্ত্রবাদী আন্দোলনকারী হিসেবে পরিচিত এবং মায়ানমারের ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসির নেতা। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী এই নেতা ১৯৯০ সালে রাফতো পুরস্কার এবং শাখারভ পুরস্কার লাভ করেন। সামরিকতন্ত্রের বিপক্ষে অহিংস ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের জন্য ১৯৯১ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯২ সালে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের জন্য ভারত সরকার তাকে "জওহরলাল নেহেরু" পুরস্কার প্রদান করে।

নামকরণ[সম্পাদনা]

অং সান সু চি নিজ পরিবারের তিন সদস্যদের কাছ থেকে তার নামের পদবী গ্রহণ করেন। তার পিতার কাছ থেকে "অং সান", তার পিতার নানী থেকে "সু" এবং "চি" তার মা খিন চির থেকে। তাকে প্রায়শই ডাউ অং সান সু চি নামে ডাকা হয়।

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

রাজনীতিবিদ নন, সাধারণ গৃহবধূ হিসেবেই জীবন শুরু করেছিলেন সু চি। ব্রিটিশ নাগরিক মাইকেল অ্যারিসকে বিয়ে করেন ১৯৭১ সালে। বিয়ের এক বছর পরই প্রথম সন্তান আলেক্সান্ডারের জন্ম। দ্বিতীয় সন্তান কিমের জন্ম ১৯৭৭ সালে। ১৯৮৮ সালে তার মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পরলে তাঁকে দেখতে ছুটে আসেন দেশে। তখন দেশজুড়ে চলছিল গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলন। সেই আন্দোলন থেকে নিজেকে গুটিয়ে রাখতে পারেননি নিজেকে। গঠন করলেন এনএলডি-ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি। রাজনৈতিক দল গঠন করে মুহূর্তেই চক্ষুশূলে পরিণত হলেন সামরিক জান্তার। ১৯৮৯ সালে গৃহবন্দী করা হলো তাঁকে। পারিবারিক জীবনেরও সমাপ্তি ঘটল সেখানেই। এরপর প্রায় দুই দশক গৃহবন্দী ও কারাগারে কাটালেন তিনি। স্বামীর সঙ্গে শেষ দেখা ১৯৯৫ সালের বড়দিনে হলেও ছেলেদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। এর চার বছর পর স্বামী মারা যান। ২০১০ সালে ১২ বছরের মধ্যে প্রথম ছোট ছেলে কিমের সাক্ষাৎ পান। চাইলেই তিনি মুক্তি পেতে পারতেন। কিন্তু স্বামী-সন্তানকে দেখতে একবার দেশ ছাড়লে আর কখনোই তাঁকে দেশে ঢুকতে দেয়া হবে না। তাই দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে বন্দীজীবনকেই বেছে নিলেন। বিয়ের আগে স্বামী মাইকেলকেও বলে রেখেছিলেন সবকিছুর আগে তাঁর দেশ।[২]

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Myanmar election commission announces NLD wins overwhelmingly in by-elections"। Xinhua। 2 April 2012। সংগৃহীত 2 April 2012 
  2. আমার ব্যক্তিগত আক্ষেপ আছে: সু চি, বিবিসি, দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ২৪-০৯-২০১২ খ্রিস্টাব্দ।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

পার্টির রাজনৈতিক কার্যালয়
নতুন রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্র্যাসি নেতা
১৯৮৮–বর্তমান


দায়িত্ব/অবশ্য কর্তব্য
বিধানসভার আসন
পূর্বসূরী
সো টিন্ট
বর্মী হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ফর কাওমুর সদস্য
২০১২–বর্তমান


দায়িত্ব/অবশ্য কর্তব্য
পুরস্কার ও স্বীকৃতি
পূর্বসূরী
মিখাইল গর্বাচেভ
নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী
১৯৯১


উত্তরসূরী
রিগোবার্তা মেঞ্চু